ছেলের দ|🌸ড়| জ্ব|🌸ল| মিট|নো

ছেলের দ|🌸ড়| জ্ব|🌸ল| মিট|নো

*পরিচয়

আমার নাম সিমা ।

বয়স তেত্রিশ, কিন্তু এখনো আয়নায় নিজেকে দেখলে মনে হয় যেন কালকের মেয়েটাই দাঁড়িয়ে আছে। ফর্সা গায়ের রঙ, একটু মোটা-সোটা গড়ন, কিন্তু সব জায়গায় ঠিক যেখানে যতটা দরকার ঠিক ততটাই ফুলে উঠেছে। বুকের জোড়া এখনো এমন টানটান যে শাড়ির আঁচল সরলেই পুরুষ চোখ আটকে যায়। কোমরটা একটু নরম, পাছাটা গোলগাল, হাঁটতে গেলে দুলতে থাকে—যেন ইচ্ছে করে লোভ দেখাচ্ছে।


*শরীরের সৌন্দর্য:

দুধের সাইজ → ৩৪–৩৬ ইঞ্চি (ভরাট, নরম, শাড়ির আঁচল সরলেই যেন ফেটে পড়ার অবস্থা)

পাছার সাইজ → ৩৮–৪২ ইঞ্চি (গোল, উঁচু, চলার সময় দুলে ওঠে — ঘরের কাজ করতে গেলে ছেলের চোখে পড়ে যায়)


সন্তান: এক ছেলে (এখন যুবক, শক্তিশালী, বড় হয়ে উঠছে) আর এক মেয়ে — ছেলেটা মায়ের প্রতি অতিরিক্ত যত্নশীল, কখনো কখনো তার দৃষ্টি মায়ের শরীরে আটকে যায়, যা সিমা নিজেও লক্ষ্য করে।


আমার স্বামী একজন সরকারি কর্মকর্তা।আমার স্বামী এখন প্রায় ৬ মাস পর পর বাসায় আসে। চাকরির জন্য দূরের জেলায় পোস্টিং, সেখানেই থাকে। ফোন করে ঠিকই খোঁজ নেয়,আমাদের এক ছেলে, আর এক মেয়ে। ছেলে ক্লাস সিক্সে, মেয়ে ফোরে। দুজনেই স্কুলে থাকে দিনের বেশিরভাগ সময়। বাসায় ফিরে পড়তে বসে, খেলতে যায়—আমার হাতে অনেকটা ফাঁকা সময় থেকে যায়। সেই ফাঁকা সময়ে আমি নিজের শরীরের দিকে তাকাই। আঙুল দিয়ে নিজের বুকের বোঁটা ঘষি, কোমরের কাছে হাত বোলাই,


কিন্তু শরীরের আগুন তো ফোন দিয়ে নেভে না। আমার শরীরটা দিন দিন জ্বলে উঠছে। রাতে বিছানায় শুয়ে থাকি, হাতটা নিজে নিজে নিচে চলে যায়, কিন্তু সেই তৃপ্তি আর আসে না।


প্রথমে ভিডিও দেখতাম। মোবাইলে লুকিয়ে লুকিয়ে পর্নো খুলে বসতাম। দেখতাম কীভাবে পুরুষেরা মেয়েদের জড়িয়ে ধরে, চুষে, চাটে, ঠাপায়। আমার শরীর কেঁপে উঠত, ভিতরটা ভিজে যেত। কিন্তু শুধু দেখলে তো হয় না। তাই একদিন রান্নাঘর থেকে একটা মস্ত বড় বেগুন নিয়ে এলাম। আলতো করে ধুয়ে, তেল মাখিয়ে, আস্তে আস্তে নিজের ভিতরে ঢোকাতে শুরু করলাম। প্রথম দিনগুলোতে ভালোই লাগত। ঠান্ডা ঠান্ডা বেগুনটা ভিতরে ঢুকলে শরীরটা কেঁপে উঠত, চোখ বন্ধ করে কল্পনা করতাম—এটা আমার স্বামীর মোটা ধোন। ঠাপ খেতাম, নিজের বুক চটকাতাম, শ্বাস ভারী হয়ে আসত। ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে চিৎকার চেপে ধরতাম যাতে বাচ্চারা না শোনে।


কিন্তু দিন যত যায়, বেগুনটা আর তেমন লাগে না। ছোট লাগে, ঠান্ডা লাগে, উত্তেজনা কমে যায়। আমার শরীর আরও বেশি চায়—গরম, শক্ত, জীবন্ত কিছু। রাতে একা শুয়ে থাকি, পাশে আমার ছেলে রাহাত ঘুমায়। বয়স এখন ১৬, শরীরটা বেশ তৈরি হয়ে গেছে। কখনো কখনো তার লুঙ্গির নিচে ফুলে ওঠা দেখি, মনে হয় যেন আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। আমার মনটা পাগল হয়ে যায়। ভাবি—এই ছেলেটাই তো আমার। আমার গর্ভে বড় হয়েছে, আমার দুধ খেয়েছে। এখন যদি আমার এই জ্বালা মেটায়, তাতে কী দোষ?

এক রাতে সিদ্ধান্ত নিলাম। স্বামী তো আসবেই না কবে। আমার শরীর আর অপেক্ষা করতে পারছে না। রাহাতকে ডাকলাম, “বাবু, মায়ের কাছে আয় একটু।” সে ঘুম ভাঙা চোখে এসে পাশে শুয়ে পড়ল। আমি আলতো করে তার হাতটা আমার কোমরে রাখলাম। তার শরীর গরম। আমার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিলাম একটু। বুকের জোড়া তার গায়ে লাগল। সে চমকে উঠল, কিন্তু সরে গেল না।


“মা… কী হচ্ছে?” তার গলা কাঁপছে।

আমি তার কানের কাছে ফিসফিস করে বললাম, “চুপ কর বাবু। মায়ের খুব জ্বালা করছে। তুই ছাড়া আর কে মেটাবে? তুই তো আমার সোনা।”

তার হাতটা আমি নিজের বুকে নিয়ে গেলাম। সে আঁকড়ে ধরল। আমার বোঁটা শক্ত হয়ে উঠেছে। আমি তার লুঙ্গির ভিতর হাত ঢোকালাম। ওর ধোনটা ইতিমধ্যে পাথরের মতো শক্ত। গরম, লম্বা, মোটা। আমার ভিতরটা কেঁপে উঠল। এতদিনের অপেক্ষা শেষ হচ্ছে।

আমি শাড়ি তুলে দিলাম। প্যান্টি খুলে ফেললাম। তার উপরে উঠে বসলাম। আস্তে আস্তে নিজেকে তার উপর নামালাম। তার ধোনটা আমার ভিতরে ঢুকে গেল। একটা লম্বা শ্বাস বেরিয়ে এল আমার মুখ থেকে। “আহ্… বাবু… এইটা চাইছিলাম আমি।”


চলবে.....?

সবাই কমেন্ট করুন NEXT PART

তাহলে পাবেন 


নতুন নতুন গল্প পেতে পেজ টাকে ফলো করে পাশেই থাকুন


আপনার নিজের সাথে ঘটনা ও আপনার জানা ঘটনা সেয়ার করতে ইনবক্সে মেসেজ করুন 📥

মন্তব্যসমূহ